Poly eBook Subscription Issue

Poly eBook subscription issue

অনেক দিন ধরেই Poly eBook-এর নতুন সাবস্ক্রিপশন বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন মাধ্যমে অসংখ্য শিক্ষার্থী আমাদের কাছে অনুরোধ করছেন, যেন আমরা দ্রুত সার্ভিসটি আবার চালু করি। কিন্তু এটি চালু না করার পেছনে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

আপনারা যেহেতু আমাদের ব্যবহারকারী ও শুভাকাঙ্ক্ষী, তাই পুরো বিষয়টি জানার অধিকার আপনাদের আছে। পোস্টটি একটু বড় হলেও ধৈর্য ধরে পড়ার অনুরোধ রইল।

২০২২ সালে আমরা কয়েকজন ডিপ্লোমা ও বিএসসি শিক্ষার্থী মিলে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ধরনের একটি উদ্যোগ শুরু করি। আমাদের লক্ষ্য ছিল খুব অল্প খরচে সকল শিক্ষার্থীর কাছে প্রয়োজনীয় বই সহজে পৌঁছে দেওয়া।

আপনারা লক্ষ্য করলে দেখবেন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে দেশের প্রায় সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো অধিকাংশ বইয়ের PDF সংস্করণ অনলাইনে পাওয়া যায়। অনেক শিক্ষক নিজেরাই শিক্ষার্থীদের সেই PDF শেয়ার করেন, যাতে সবাই সহজে পড়তে পারে।

এর পেছনে যথেষ্ট যৌক্তিক কারণও রয়েছে। বইগুলো সাধারণত অনেক বড়, ভারী এবং দামিও হয়। একদিনে একাধিক বিষয়ের ক্লাস থাকলে সব বই একসাথে বহন করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। এছাড়া পড়াশোনার বিষয়বস্তু প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ও হালনাগাদ হচ্ছে। এসব কারণেই বিশ্বের অনেক দেশেই এই ধরনের শিক্ষামূলক PDF ব্যবহারে কঠোর কপিরাইট জটিলতা তৈরি করা হয় না।

এসব বিষয় বিবেচনা করেই আমরা Poly eBook-এ এমন একটি ডিজিটাল লাইব্রেরি তৈরি করি, যেখানে নামমাত্র সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে শিক্ষার্থীরা চার বছরের প্রয়োজনীয় বই পড়তে পারত। বইগুলো ডাউনলোড করে অফলাইনেও পড়ার সুবিধা ছিল।

বাংলাদেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, অনেক ধরনের ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার আগে ব্যবসাটি কার্যক্রমে থাকতে হয়। তাই আমরা শুরু থেকেই তাড়াহুড়ো করিনি। যেহেতু এখানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী একসাথে ব্যবহার করবে এবং চার বছরের প্রয়োজনীয় বই থাকবে, তাই সবকিছু প্রযুক্তিগতভাবে নির্ভুল করতে আমরা প্রায় চার বছর সময় নিয়েছি। এই সময়ে শিক্ষার্থীদের মতামত নিয়ে অসংখ্য আপডেট করেছি। এমনকি কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ব্যবহারের জন্য আলাদা সফটওয়্যারও তৈরি করেছি, যাতে সবাই সর্বোচ্চ সুবিধা পায়।

কিন্তু এই দীর্ঘ পথচলায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশের কিছু প্রকাশনীর নীতি।

আপনি নিজের টাকায় কেনা একটি বই বন্ধুকে পড়তে দিতে পারেন, পুরো ব্যাচের জন্য ফটোকপি করাতে পারেন, অনলাইন গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন, এমনকি অনেক পলিটেকনিকের লাইব্রেরিতেও বই বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।

কিন্তু আমরা যখন নিজেদের অর্থে বই কিনে, নিজেরাই স্ক্যান করে একটি নিরাপদ ডিজিটাল লাইব্রেরিতে পড়ার সুযোগ দিই, তখন সেটিই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। অথচ আমরা কোনো বই কপি করে বিক্রি করি না। আমরা শুধু আমাদের প্ল্যাটফর্মে পড়ার সুযোগ দিই। আপনারা লক্ষ্য করলে দেখবেন, বই ডাউনলোড করা গেলেও অন্য কারও সঙ্গে শেয়ার করার কোনো ব্যবস্থা নেই। কারণ এটি একটি Digital Library, বই বিক্রির ব্যবসা নয়।

আমরা যে সামান্য সাবস্ক্রিপশন ফি নিই, তা মূলত নতুন বই কেনা, সার্ভার ও ডোমেইন খরচ, ডেভেলপমেন্ট এবং স্ক্যানিং-সংক্রান্ত ব্যয় মেটানোর জন্যই ব্যবহার করা হয়। ভবিষ্যতে এই খরচ আরও কমানোর পরিকল্পনাও ছিল।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেসব প্রকাশনী এই বইগুলো প্রকাশ করে, তাদের কেউই এই ধরনের সেবা চালু রাখতে সম্মত হননি। আমরা বহুবার আলোচনা করেছি, এমনকি সাবস্ক্রিপশন থেকে তাদের অংশ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক সমাধান পাওয়া যায়নি।

এমন পরিস্থিতিতে আমরা অপ্রয়োজনীয় আইনি জটিলতায় জড়াতে চাই না। কারণ আমরা সবসময় ইতিবাচক ও সৎভাবে কাজ করতে বিশ্বাস করি। আমরা কোনো ধরনের পাইরেসি বা অসাধু কার্যক্রমে জড়িত নই।

এই কারণেই আমরা নতুন সাবস্ক্রিপশন বন্ধ রেখেছি। কারণ আজ যদি আপনাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দুই দিন পরে সার্ভিস বন্ধ করে দিতে হয়, তাহলে সেই দায় আমাদেরই নিতে হবে। বর্তমানে শুধুমাত্র আগের সাবস্ক্রাইবাররাই তাদের কেনা সময় পর্যন্ত সেবা পাচ্ছেন। এমনকি নবায়নের ব্যবস্থাও আমরা রাখিনি।

অনেকে আমাদের সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন। কিন্তু বাস্তবে যাদের পেমেন্ট-সংক্রান্ত সমস্যা হয়েছে, তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারণ ছিল—ভুল ইমেইল ঠিকানা, অ্যাপে এক ইমেইল ও পেমেন্টে অন্য ইমেইল ব্যবহার করা, ভুল ফোন নম্বর দেওয়া ইত্যাদি। তারপরও যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, সবার সমস্যারই সমাধান করা হয়েছে।

এমনকি যারা যোগাযোগ করেননি, তাদেরও আমরা ইমেইল করেছি, এসএমএস পাঠিয়েছি, প্রয়োজন হলে ফোনও করেছি। এরপরও যদি কেউ ভুল তথ্য দেন, ইমেইল না দেখেন, ফোন রিসিভ না করেন বা এসএমএস না পড়েন, তাহলে সেই দায় আমাদের পক্ষে নেওয়া সম্ভব নয়।

তারপরও আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ প্রমাণ দিলে তাৎক্ষণিকভাবে রিফান্ডও করেছি।

তারপরও সবাইকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব হয় না। পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ থাকবেই, যাদের কোনোভাবেই সন্তুষ্ট করা যায় না। এসব চ্যালেঞ্জ নিয়েই আমরা এতদিন এগিয়ে এসেছি।

কিন্তু এখন আমরা এমন একটি সময়ে এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে একটি কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

প্রথম পথ: Poly eBook সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া।

দ্বিতীয় পথ: Poly eBook-এর নিজস্ব একটি প্রকাশনী প্রতিষ্ঠা করা, যাতে অন্য কোনো প্রকাশনীর ওপর আমাদের নির্ভর করতে না হয়।

আমাদের অভিজ্ঞতায়, বর্তমানে অনেক বইয়ের ভাষা ও উপস্থাপনা এমন যে, পড়ে মনে হয় ইংরেজি থেকে সরাসরি অনুবাদ করে ছাপানো হয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বই পড়েও বিষয়টি ঠিকমতো বুঝতে পারে না। শেষ পর্যন্ত তারা ইন্টারনেট, YouTube বা ChatGPT-এর সাহায্য নিয়ে আবার পড়তে বাধ্য হয়।

আমরা যদি নিজেদের প্রকাশনী থেকে নতুনভাবে বই প্রকাশ করি, তাহলে চেষ্টা থাকবে—

  • সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা।
  • শতভাগ নির্ভুল তথ্য।
  • রঙিন ও আকর্ষণীয় উপস্থাপনা।
  • ছোট ফাইল সাইজ, যাতে দ্রুত ডাউনলোড হয়।
  • মোবাইল, ট্যাব ও কম্পিউটারে আরামদায়কভাবে পড়ার উপযোগী ডিজাইন।

কিন্তু এখানেও একটি বড় প্রশ্ন রয়েছে।

আমাদের বই কি সত্যিই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে?

বর্তমানে অনেক প্রকাশনী শিক্ষকদের সম্মানী, বিভিন্ন বিক্রয় কমিশন এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক পদ্ধতির মাধ্যমে নিজেদের বই বাজারজাত করে। যদি কোনো শিক্ষক ক্লাসে বলেন, “সবাই অমুক প্রকাশনীর বই কিনবে, আমি এই বই দিয়েই পড়াব,” তাহলে আমাদের ভালো বই থাকলেও অনেক শিক্ষার্থী সেটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না।

আবার অনেক শিক্ষার্থী এখনও মোবাইল বা কম্পিউটারে পড়তে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। তাদের জন্য হার্ডকপি বই প্রয়োজন। কিন্তু শুরুতেই লাখ লাখ কপি বই ছাপানো আমাদের পক্ষে বাস্তবসম্মত নয়।

আপনারা কী চান?

১. আমরা কি Poly eBook সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেব?

২. নাকি হার্ড কপি প্রকাশ না করে, নিজেদের প্রকাশনী থেকে শুধুমাত্র Poly eBook অ্যাপের জন্য ডিজিটাল বই প্রকাশ করব?

৩. নাকি আপাতত শুধুমাত্র পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ৬ মাসের সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান চালু করে দেব? তবে এই শর্তে যে, যদি কোনো কারণে আগামী ৬ মাসের মধ্যে সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এ বিষয়ে আপনাদের কোনো দাবি বা অভিযোগ থাকবে না।

আপনাদের মতামত আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিচের ভোটিং পোলে ভোট দিন এবং কমেন্টে আপনার মতামত জানান।

পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে Poly eBook ব্যবহারকারী আরও বেশি শিক্ষার্থীর কাছে এটি পৌঁছে যায় এবং সবাই তাদের মতামত জানাতে পারে।

ধন্যবাদ।

Live Your openion / আপনারা কী চান?
  • ১. আমরা কি Poly eBook সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেব?
    9% 9/ 93
  • ২. নাকি হার্ড কপি প্রকাশ না করে, নিজেদের প্রকাশনী থেকে শুধুমাত্র Poly eBook অ্যাপের জন্য ডিজিটাল বই প্রকাশ করব?
    88% 82/ 93
লিঙ্কটি কপি করুন এবং অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।
আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন নিচের মন্তব্য করার জায়গায় ।

11 thoughts on “Poly eBook Subscription Issue”

  1. মুশফিক

    নতুন প্রকাশনা নিয়ে কাজ করতে চাইলে আপনাদের সাথে আমি আছি।

  2. MD Saikat Islam

    নিজেদের প্রকাশনী চালু করেন। 1 বা 2 বছর অনলাইনে ইবুক আকারে বিক্রি অথবা পলি ইবুক এর মত সাবস্ক্রিপশন এর ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি আপনাদের বই এর প্রচারণা চালাবেন, বিভিন্ন ক্যাম্পেইন করবেন। ,1 বা 2 বছর হওয়ার পর মোটামুটি পরিচিতি লাভ করলে অল্প কিছু ছাপাবেন, আশেপাশের পলিটেকনিকের স্টুডেন্ট দের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করবেন, পাশাপাশি অনলাইন বিক্রি করবেন। আপনাদের বই এবং অন্য বই এর পার্থক্য অনলাইনে তুলে ধরবেন। এভাবে ধীরে ধীরে বই বিক্রি এবং ছাপানোর প্রসার বাড়াতে হবে। ইনশাআল্লাহ একটু সময় দিলে এবং পরিশ্রম
    করলে সফলতা আসবে। ধন্যবাদ ।।।

  3. আমি চাই আপনারা নতুন ভাবে শুরু করুণ!
    আমি আছি পাশে এবং আমার বন্ধুরা সহ।
    চট্টগ্রাম পলি টেকনিক ।

  4. নাবিল হোসেইন

    আপনাদের অনেক ধন্যবাদ এতদিন ধরে সাপোর্ট দিয়ে আসছেন। কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে এখন আর সম্ভব হচ্ছে না। তবে আপনারা চাইলে নিজস্ব ই-বুক বানাতে পারেন। যেহেতু অনেক সময় ও শ্রম প্রয়োজন তাই দাম একটু বেশি রাখতে পারেন, এতে আপনাদেরও ভালো আর আমাদেরও উপকার হবে।

  5. moohammed angkon sheikh

    আসলামুআলাই,কুম, আমি ডিপলমাইন-ইনঞ্জিনিয়ারিং এর cst(85-tec.) এর ৫ম পরবের ছাত্র। আমাদের কারিকুলাম অন্য দেশের তুলনায় অনেক দুরবল এবং বই গুলি আরো বেশি। আমি এখনো পর্যন্ত যে বোড় বই গুলি পড়েছি(বিভিন্ন প্রকাশনীর) সে বই গুলোর মধ্যের সুচি গুলি এবং অধ্যায়ের সুচি গুলি ব্যাখ্যা অতি সিমিত যার মাধ্যমে গুটি মাত্র ধারণা নেওয়া গেলেও তা সম্পুর্ন নয় এবং আমাকে আলাদা করে internet থেকে গবেশনা করে শিখতে হয়। আবার সুধু বই গুলির অনুশিলনির বোড় প্রশ্নের উত্তর মুখুস্ত করেই ভালো রেজাল্ট করা যায় কিন্তু সম্পুর্ন বই পড়েও পরিপুর্ন বষয়াদি যনা যায় না । তাি আমি চাই আপনার অন্যান্য দেশের এবং বিভিন্ন নামি University যেমন- (mit, Harvard etc) এ ব্যবহৃত বই গুলির মতো বই প্রকাশ করুন যার উদ্দেশ্য ইন্জিনিয়ারং পরিক্ষার সরটিফিকেট নয়।আপনাদের জন্য আমার সুভকামনা রইলো।

    1. ওয়ালাইকুম আসসালাম, আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আসলেই প্রতি সেমিস্টারে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি) থেকে প্রতিটি টেকনোলজির জন্য আলাদা করে কারিকুলাম দেওয়া হয়। সেখানে কোন (অধ্যায়ে) কত পয়েন্ট এবং কী কী থাকবে, তা খুব সুন্দরভাবে উল্লেখ করা থাকে। এই কারিকুলামের বাইরে কোনো প্রশ্ন আসে না। তাই বিভিন্ন প্রকাশনীও সে বিষয়গুলো নিয়েই বেশি লেখে, এর বাইরে বাড়তি কিছু লেখে না।

  6. আসসালামু আলাইকুম আমি বিগত তিন বছর ধরে আপনাদের সার্ভিসটি ব্যবহার করছি এবং আমি অনেক উপকৃত হয়ে ছি আর্থিক অবস্থার একদম খারাপ থাকা সত্বেও আমি সবগুলো বই পড়ার সুযোগ পেয়েছি আমি চাই যে আপনারা নতুন প্রকাশনী নিয়ে কাজ করেন আমি আপনার সাথে আছি এবং আপনার সাথে যা হচ্ছে এ নিয়ে আমি খুবই উপকার হচ্ছি আমি চাই যে আপনার আরো অনেক পড়েন এবং ভালো হোক যারাই ভালো কাজটা করায় বাধা দিচ্ছে তাদেরও ভালো হোক

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share with others

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Facebook
[adinserter block="2"]

Get Different Information

Share with friends

You cannot copy content of this page